which engineering course is the best for job

Which Engineering Course is the Best for Job in Bangladesh

Introduction to ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা

ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আগ্রহী কিন্তু কিছুতেই বুঝে উঠতে পারছেন না যে Which Engineering Course is the Best for you তাই তো? সত্যিই এটা আমাদের দেশের জাতীয় একটা সমস্যা। বিশেষ করে যারা কিনা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয় তাদের জন্যে। পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে তবুও একটা নুন্নতম সান্তনা দেয়া যায় যেহেতু সাবজেক্ট সিলেকশনটা মেরিট লিস্ট থেকে হয়ে থাকে। কিন্তু, তাতেও বা কি আসে যায়? পছন্দের সাবজেক্ট তো আপনাকেই নির্ধারণ করে দিতে হয়।

ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বো এটা ঠিক করে ফেলা যতটা সহজ, পক্ষান্তরে কোন ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টএ পড়বো সেটা নির্ধারণ করা ততটাই কঠিন। কিছু কিছু বড় ভাই কিংবা ইউনিভার্সিটির এডমিশন অফিসারদের সাথে কথা বলে তাদের বিভিন্ন রকম মতামত শুনার পর বিষয়টা আরো বেশি জটিল হয়ে পরে। তখন আমরা অনেকটাই হতাশায় ভুগতে শুরু করি অথবা নিজের অজান্তেই হয়তো চরম কোনো ভুল ডিসিশন নিয়ে ফেলি।

মূল সমস্যা তাহলে কোথায়?

সময়মতো কোনো সরল পথ আমরা খুঁজে পাই না, যেটা ফলো করে খুব সহজেই নিজের ইচ্ছা মতো বুঝে শুনে সঠিক সিদ্ধান্তটি নেয়া যায়। সমস্যার সমাধান খোঁজার আগে চলুন বাংলাদেশের ডিমান্ডেবল কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট এর নাম জেনে নেয়া যাক।

List of Engineering Courses in Bangladesh

ইন্ডিভিজুয়াললি ধরতে গেলে বাংলাদেশে অনেক গুলো Engineering Courses রয়েছে। আমাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর স্বার্থে আমি ব্যাপারটাকে জব ইন্ডাস্ট্রি অনুসারে ভাগ করে নিচ্ছি। যেমন ধরুন, Computer/ Software/ Information/ Communication সাবজেক্ট গুলোকে আমি জব নেচার এর উপর ভিত্তি করে একটা ক্যাটাগরিতে ফেলবো। তাহলে কম বেশি যেটা দাঁড়ায় তা হলো –

  • Computer Science and Communication Engineering
  • Civil and Structural Engineering
  • Electrical and Electronic Engineering
  • Mechanical and automation Engineering
  • Chemical Engineering
  • Textile Industry
  • Mineral and Mining Engineering

পৃথক পৃথক ভাবে চিন্তা করলে এর বাইরেও আরো কিছু সাবজেক্ট রয়েছে যার মধ্যে Genetic Engineering, Biomedical Engineering, Food and Nutrition Engineering ইত্যাদি অন্যতম।

তবে ব্যাক্তিগত ভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে আমি যা বুঝি তার মূল বিষয়গুলো উপরের ক্যাটাগরিতেই অবস্থান করে। একটু খেয়াল করলে দেখবেন, Textile কে আমি সরাসরি Engineering না বলে Textile Industry বলেছি। এর কারণ Textile ইন্ডাস্ট্রি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ইকোনমিক সেক্টর। পাশাপাশি এটি Engineering এর ভিতরে পড়লেও, টেক্সটাইলের মূল বিষয়বস্তু গুলো আসলে পিওর Engineering নয়। তাই টেক্সটাইলকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ নেই, কিন্তু আমি একে সরাসরি ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে চাই না। 

অনেক কিছুই তো বললাম কিন্তু, in engineering which course is best ? এটা ক্লিয়ার করতে হবে, তাই তো? চলুন এবার হাটে হাড়ি ভাঙা যাক।

Which Engineering Course is the Best?

Which Engineering Course is the Best for Job

মাছ তো সেটাই ভালো যেটা খেতে মজা। কি? তাই তো !

বাংলাদেশের পরিপেক্ষিতে ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা যেকোনো পড়াশুনার ২ টা উদ্দেশ্য হতে পারে। প্রথমত, ভালো একটা চাকরি পাওয়া কিংবা Higher Study এর জন্যে বাইরে চলে যাওয়া। আর দ্বিতীয়টা হলো বাবার টাকায় ব্যবসা করার আগে প্রয়োজন শুধু একটা সার্টিফিকেট। যেটাই হোক, কারো উদ্দেশ্যকে বিচার করা আমার কাজ নয়, আর সে অধিকারও আমাকে কেউ দেয় নি। মূল বিষয়বস্তু বোঝাতে গিয়ে এমন অনেক কিছুই বলতে হয়, তাই একটু বক বক করি বৈকি। 

যদি পরিসংখ্যানটাকে ছোট করে ম্যাক্সিমাম মানুষের কথা চিন্তা করি, তাহলে বলতে হয় ইঞ্জিনিয়ারিং এর মুখ্য উদ্দেশ্য হলো ভালো একটা চাকরি পাওয়া। আর এই চাকরি বিষয়টাই আমাদেরকে ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে।

বাস্তব সত্য এই যে, অনেকেই ভালো ভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পর চাকরির বাজারে গিয়ে নিজের ভাগ্যকে দোষারোপ করতে থাকেন। এমন কোনো সাবজেক্ট এ পড়াশুনা করেছেন, বাংলাদেশে যার বাজার মূল্য শূন্যের কোঠায়। কেউ বা ভালো চাকরি পেয়েও ভুগতে থাকেন হতাশায়। কারণ টাও সিম্পল, চাকরির ধরণ যে আর আপনার ভালো লাগছে না। জীবনে এমন কোনো কিছুকে পেশা হিসেবে বেঁচে নেয়া উচিত যেটা কিনা আপনি মন থেকে ভালোবাসেন। যেকাজ করতে দিলে আপনি কখনোই বিরক্ত হন না।

কিছুটা ইঙ্গিত পাচ্ছেন নিশ্চয়, আমি আসলে কি বোঝাতে চাচ্ছি। বড় ভাই অথবা বন্ধুর দেখা দেখি যে কোনো একটা সাবজেক্ট এ ভর্তি হওয়ার আগে আরেকবার ভেবে দেখুন, আপনি কতটা প্রস্তুত সেই ফিল্ড এ চাকরি করার জন্যে। পয়েন্টগুলো মন দিয়ে একটু খেয়াল করে দেখুন তাহলে নিজেই বুঝে যাবেন Which Engineering Course is the best for Job in Bangladesh. Specially for You . . .

Things to keep in mind during your Engineering Course Selection

Passion as a Profession

আপনার প্যাশন টাকে যদি আপনি পেশা বানিয়ে ফেলতে পারেন সত্যি বলতে এর থেকে বেটার আর কিছু নেই। যার মেশিন এর পার্টস ঘাটাঘাটি করতে ভালো লাগে তাকে যদি আপনি Electronics অথবা Mechanical Engineering না পড়িয়ে Software Engineering পড়তে দেন, ফলাফলটা কিছুটা হলেও আন্দাজ করা সম্ভব।

এক্ষেত্রে Software Engineering এর মার্কেট ডিমান্ড দেখাটা মোটেই মুখ্য বিষয় নয়। সুতরাং, আপনার ভালো লাগার জায়গাটিকে খুঁজে বের করুন, এই বিষয়টাই আপনাকে আপনার সাবজেক্ট সিলেকশনের ক্ষেত্রে সব চাইতে বেশি সাহায্য করবে।

In-Demand Engineering Jobs in Bangladesh

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে না পারার কারণে মোবাইল ফোন এর একসময়ের মার্কেট লিডার Nokia আজ অস্তিত্বের সংকটে।

You have To Change With Time. Because, You Can Not Change The Time.

সেজন্যেই কোন সাবজেক্ট এ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বেন সেটা ফাইনাল করার আগে বর্তমান মার্কেটে তার ডিমান্ড কেমন সেটা একটু যাচাই করে নিবেন। উদাহরণ স্বরূপ, Genetic Engineering কিংবা Petroleum Engineering গ্লোবালি অনেক হাই ডিমান্ড সাবজেক্ট। কিন্তু, আপনার গন্তব্য যদি বাংলাদেশের জব মার্কেট হয়ে থাকে তাহলে আপনার দ্বিতীয় বার ভেবে দেখা উচিত। মার্কেটে জব নেই এমন না, কিন্তু আপনি অনেকটাই লিমিটেড হয়ে যাবেন চাকরির বাজারে। 

ঠিক তেমনি বর্তমান সময়, ইনফরমেশন এর যুগ। ডেভেলপমেন্ট, ডিজানিং, ডেটা, ক্লাউড কম্পিউটিং, ভার্চুয়ালাইজেশন এর মতো টার্ম গুলো যদি আপনার ইঞ্জিনারিং এর মূল বিষয় হয়, আপনাকে হয়তো চাকরি নিয়ে একটু কমই চিন্তা করতে হবে অন্যদের চাইতে। এই জিনিষটা অনেক বেশি ম্যাটার করে বাস্তব জীবনে।

Engineering Salary in Bangladesh

গরুর গাড়ি চালিয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখা দোষের কিছু নয়, কিন্তু সেটাকে বাস্তবের সাথে মিলিয়ে ফেলাটা অনেক বড় বোকামির। যেকোনো ইঞ্জিনিয়ারিং প্রফেশন এই অনেক ভালো স্যালারি পাওয়া সম্ভব। কিন্তু, বিষয় হচ্ছে আপনি কত দিনে সেই স্যালারি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছেন।

চাকুরী জীবনে ৫ বছর পার করে এসে সাকসেস পাওয়া, আর ১৫ বছর পরে পাওয়ার মধ্যে কিন্তু বিস্তর ফারাক।

আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এমন অনেক মানুষকেই চিনি যারা তাদের চাকরি জীবনের প্রথম ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে ৫০,০০০ টাকার মাইলফলক পেরিয়ে গেছেন। জানি অনেকের কাছে এটা তেমন কিছুই নয়। কিন্তু বিশ্বাস করুন, চাকরির সন্ধান করে বেড়ানো মানুষ গুলোর কাছে এটা স্বপ্নের সমান।

গড়ে বাংলাদেশে ইঞ্জিনিয়ারদের স্টার্টিং স্যালারি ১২-১৮ হাজার টাকা। কিন্তু, এই সালারীটাই কোম্পানি ভেদে ২৫-৬০ হাজার টাকাও হয়ে থাকে। এটা মূলত নির্ভর করে সঠিক সময়ে সঠিক ইন্ডাস্ট্রিতে আপনি আপনার স্কিল নিয়ে হিট করতে পারলেন কিনা সেটার উপর।

আরেকটু ক্লিয়ার করে দিচ্ছি। গ্রামীনফোন, বিকাশ, নগদ এর মতো অপারেটর অথবা বড় কোনো সফটওয়্যার কিংবা ক্লাউড ডেভেলপমেন্ট ফার্মে জব করা আর দেশের যেকোনো ফ্যাক্টরিতে জব করা কোনো দিনও এক হতে পারে না। তার উপর ন্যাশনাল আর মাল্টিন্যাশনাল এর ফারাক তো চিরকালের। কোনোভাবেই আমি এখানে ফ্যাক্টরি গুলোকে ছোট করে দেখছি না। গার্মেন্টস অথবা যেকোনো প্রোডাকশন ফ্যাক্টরিতেও অনেক হাই স্যালারিতে মানুষ জব করে। কিন্তু, ক্যারিয়ার গ্রোথ, জব নেচার, এনভায়রনমেন্ট বলে কিছু কথা থাকে !

আশা করি মূল পয়েন্টগুলো ধরতে পেরেছেন।

ফ্যাশন এবং স্টাইল এর ক্ষেত্রে যেমন সবাই ট্রেন্ড ফলো করে, ঠিক তেমনি ভাবে জব ট্রেন্ডও আপনাকে অবশ্যই ফলো করতে হবে। পৃথিবীতে এমন একটা সময় আসলেও আসতে পারে যখন কৃষিকাজ এর স্যালারি সব চাইতে বেশি হবে। আপনাকে শুধু সেই সময়ের সাথে খাপ খাইতে নিতে হবে, এই আর কি ! 

সবই তো বুঝলাম, কিন্তু এতকিছু ম্যাচ করে বের করবো কিভাবে সেইটা তো বললেন না।

কষ্ট করে যখন এতদূর পরেই ফেলেছেন, আপনাকে আমি কোনো ভাবেই হতাশ করবো না। কয়েকটা টিপস দিচ্ছি, একটু মিলিয়ে নেবেন কোনটা ঠিক আপনার সাথে যায় – 

HSC এর পরে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির মাঝখানে হাতে কিন্তু অনেকটা সময় থাকে। সময় টাকে একটু কাজে লাগান, হাজার হলেও নিজের ক্যারিয়ার এর ডিসিশন বলে কথা।

  • পরিচিত বড় ভাই বোন দের সাথে কথা বলুন। তবে কোন সাবজেক্টএ পড়বেন তা নিয়ে নয়। বরং তাদের চাকরির ধরণ সম্পর্কে জানুন, কি করতে হয়, কিভাবে করতে হয় যাবতীয় আনুসাঙ্গিক বিষয়াদি।
  • বর্তমান মার্কেটের জব সার্কুলার গুলো পরে দেখুন। কোম্পানি গুলো আসলে কি চাচ্ছে, স্যালারি কেমন অফার করতেছে এসব আর কি। পরবর্তীতে ঐসকল জব স্কিল গুলো নিজের মধ্যে তৈরী করার চেষ্টা করুন।
  • কোন ইন্ডাস্ট্রিতে সাপ্তাহিক কত দিন ছুটি, এবং বছরে নুন্নতম কত দিন ছুটি পাওয়া যায় জানার চেষ্টা করুন। এই পয়েন্টটা মাথায় সহজে না আসলেও, এটা কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার।

    ৮ ঘন্টার হিসেবে সপ্তাহে ১ দিন বেশি ছুটি থাকলে সেটা কিন্তু আপনাকে বছরে ৪১৬ ঘন্টা সেভ করে দিচ্ছে।

  • সর্বোপরি স্যালারি, ইয়ারলি গ্রোথ, ওই জব করলে আপনার ফিউচার কত দূর যেতে পারে এই ব্যাপার গুলো সম্পর্কে একটু আইডিয়া নেয়ার চেষ্টা করুন। এই বিষয় গুলো কখনোই অন্যের সাথে আপনারটা সম্পূর্ণরূপে মিলবে না। কিন্তু, সার্বিক একটা ধারণা পেয়ে যাবেন নিশ্চই
  • যদি আপনার হাতে সুযোগ থাকে তাহলে অবশ্যই ইন্ডাস্ট্রি ভিজিট করে দেখবেন। বড় ভাইয়ের অফিসে একদিন চা খেতে গেলে আর দোষের কি? এতে করে একদিকে আপনি এনভায়রনমেন্ট বুঝতে পারবেন, অপরদিকে কাজের প্রতি আপনার একটা বাড়তি ভালোলাগা অথবা ভীতি তৈরী হবে। এই ভীতিটাও জব করতে গিয়ে বুঝার চাইতে আগে বুঝতে পারা অনেক বেশি লাভজনক।

ফাইনালি, সবগুলো কাজ করার পরে একটু যোগ/বিয়োগ করে দেখুন। আশা করি আপনি উত্তরটা পেয়ে যাবেন। মনে রাখবেন, কারো জন্যে যেই চাকরিটা পারফেক্ট সেটা আপনার জন্যে উপযুক্ত নাও হতে পারে। আর এখানে আপনি না উনি কেউই ভুল নন। কারণ প্রত্যেকটা মানুষই আলাদা আলাদা।

ভাই আপনার কথামতো কোন চাকরি করতে চাই সেটাতো পেয়ে গেলাম কিন্তু কোন সাবজেক্টে ভর্তি হবো সেটাই তো বললেন না।

আপনার সিলেক্ট করা জব এর জন্যে জব পোর্টাল গুলো থেকে Educational Requirement সেকশন চেক করুন। অথবা সেই সেক্টরে জব করে এমন কারো সাথে কথাবলে পরামর্শ নিন, কোন সাবজেক্টে পড়লে ওই জবগুলো পাওয়া যাবে। সেখান থেকে আপনার পছন্দের সাবজেক্টে ভর্তি হয়ে যান।

This is how you can find " which engineering course is the best for Job in Bangladesh "

About: Kazi Talim

About: Kazi Talim

একজন আগাগোড়া প্রযুক্তি-প্রেমী। প্রফেশনাল লাইফে একজন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এক্সপার্ট। ভালোবাসি তথ্য-প্রযুক্তি নিয়ে লেখা-লেখি করতে, ভিডিও বানাতে, নতুন কিছু এক্সপেরিমেন্ট করতে।

SHARE ON
Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest
Share on print
Print

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top