what is cloud computing

What is cloud computing? all your questions answered

Definition of Cloud Computing

সূত্র: Cloud + Computing = Cloud Computing

ক্লাউড এর আভিধানিক অর্থ মেঘ হলেও Cloud Technology এর ক্ষেত্রে Cloud এর সব চাইতে উপযুক্ত পরিশব্দ হচ্ছেONLINE

আর Computing এর ধারণাটা খুবই সিম্পল, আমরা দৈনন্দিক জীবনে কম্পিউটার ব্যবহার করে যত রকমের কাজ-কর্ম করে থাকি তাকেই মূলত কম্পিউটিং বলা হয়। অর্থাৎ, মুভি দেখা, গেম খেলা, গান শোনা থেকে শুরু করে ফেইসবুক চালানো, এমনকি মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এ লেখা-লেখি করাটাও কম্পিউটিং এর অন্তর্ভুক্ত।

Table of Contents

What is Cloud Computing?

একটু সহজ করে বললে, আপনার এই সকল কম্পিউটিং এর কাজ গুলো যদি আপনি আপনার কম্পিউটার এর ভিতরে ঢুকা ছাড়াই অনলাইন এ যেকোনো জায়গা থেকে এক্সেস করতে পারেন তাহলে সেই টেকনোলোজিকেই বলা হয় ক্লাউড কম্পিউটিং। যেমন ধরুন, যেকোনো জায়গা এবং যেকোনো ডিভাইস থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ফেইসবুক এ বন্ধুদের সাথে চ্যাট করা।

হাত এ খানিকটা সময় থাকলে ভিডিওটি দেখতে পারেন। মাত্র মিনিট দশেক সময় খরচ করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর বিস্তর আইডিয়া পেয়ে যাবেন, সাথে আপনার ছোট ছোট কনফিউশন গুলোও কেটে যাবে আশা করছি।

Cloud Computing Examples

আপনি যে আর্টিকেলটা এখন পড়ছেন, এটা কিন্তু আপনার কম্পিউটার অথবা মোবাইলএ নেই কিন্তু তবুও আপনি পড়তে পারছেন। এটাই কিন্তু Cloud computing এর পারফেক্ট উদাহরণ। কয়েকটি সহজ এবং অতিপরিচিত ক্লাউড কম্পিউটিং এর এক্সাম্পল তুলে ধরছি আপনার আইডিয়াটা আরো পাকা-পুক্ত করার জন্যে।

  • ওয়েব হোস্টিং- প্রায় সকল জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গুলোই কিন্তু ক্লাউডে স্পেস নিয়ে হোস্ট করা হয়।
  • Facebook এ আজ পর্যন্ত আপনি যত স্টেটাস দিয়েছেন তার সবই কিন্তু ফেইসবুকের ক্লাউডে রয়েছে এবং আপনি যখন ইচ্ছা যেকোনো ডিভাইস থেকে লগইন করে সেই স্টেটাস গুলো দেখতে পান।
  • Instagram এ আপলোড করা ছবিগুলোও সেইম কেস
  • আর প্রতিদিন Gmail এ যত মেইল পাঠাচ্ছি সব যাচ্ছেটা কই? একবার ভেবে দেখেছেন?
  • ও হ্যা, Google এর ফ্রি ক্লাউড সার্ভিসই হচ্ছে Google Drive

উদাহরণ দিতে গেলে সারাদিন বলা যাবে, এবার আশা করি ব্যাপারটা বুঝা গেছে।

What is cloud computing
What is Cloud Computing - Overview

Cloud Computing Basics

চলুন একটি বাস্তবধর্মী উদাহরণ দিয়ে শুরু করা যাক,

ধরে নিচ্ছি আপনার একটি ওয়েবসাইট অথবা কোনো একটা লাইভ এপ্লিকেশন আছে। আপনি চাইলেই সেটাকে আপনার কম্পিউটারে অথবা অফিস এর কোনো একটা লোকাল সার্ভার এ হোস্ট করে রাখতে পারেন।

এখানে হোস্ট করা মানে হচ্ছে আপনার সার্ভিস এর থাকার জায়গা হিসেবে একটা লোকেশন ফিক্সড করে দেয়া যেভাবে আপনি আপনার কম্পিউটারে ফোল্ডার তৈরী করে তার ভিতরে বিভিন্ন ফাইল রাখেন।

এবার যতদিন আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক কম থাকবে, অর্থাৎ ধরে নিলাম প্রতিদিন ১০০ জন মানুষ আপনার সার্ভিসটি ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে আপনার হয়তো কোনো সমস্যাই মনে হবে না। কিন্তু, আপনার সাইট এর রেগুলার ট্রাফিক যদি ১০০০ – ১০০০০ – ১০০০০০ এভাবে বাড়তে শুরু করে তখন কিন্তু আপনার হাই কনফিগারেশনের পিসি অথবা নরমাল টাইপ এর কোনো সার্ভার আপনাকে কোনো ভাবেই আর সাপোর্ট দিতে পারবে না। তখন আপনার প্রয়োজন হবে বড় বড় ডেটা-সেন্টার গুলোতে থাকা হাই কনফিগারেশন সার্ভার গুলোর। যেখানে থাকে শত শত কোরের CPU, হাজার জিবি RAM, আর আনলিমিটেড টাইপ এর স্টোরেজ ফেসিলিটি। কিন্তু, একবার চিন্তা করে দেখুন আপনার এই একটা-দুইটা সার্ভিস চালানোর জন্যে আপনার পক্ষে কি কোনোভাবেই একটা ডেটা-সেন্টার বানানো সম্ভব?

বড় প্রতিষ্ঠান গুলোর ক্ষেত্রে ঠিক এটাই ঘটে, আর তখন তারা ক্লাউড টেকনোলোজিকে বেছে নেয় তাদের সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে। বিষয়টা খুবই সিম্পল, কারণ ডেটা-সেন্টার বানানো সবার ব্যবসা না এবং ২-১ টা সার্ভিসের জন্যে ডেটা-সেন্টার তৈরী করার কথা চিন্তা করা বোকামি সারা আর কিছুই হতে পারে না।

এটাতো গেলো কি জন্যে Cloud Computing ব্যবহার হয় সেই গল্প। এবার আসছি কিভাবে Cloud Computing Company গুলো তাদের সার্ভিস প্রোভাইড করে তার ভিতরের খুঁটি-নাটি নিয়ে।

Virtualization in Cloud Computing

Virtualization হচ্ছে ক্লাউড সার্ভিস প্রোভাইডারদের মূলমন্ত্র। আর ভার্চুয়ালাইজেশনের মতো কঠিন একটা শব্দের বাংলা মানে হলো ১ প্লেট ভাত ৪ জনে মিলে ভাগ করে খাওয়া। কি, শুনে হাসি পেলো? ভুল কিছু বলিনি বৈকি ! ঘটনা কিন্তু এটাই, শুধু ভাতের পরিবর্তে মেশিনএর রিসোর্সে (CPU, RAM, Storage) আর মানুষের জায়গাটায় আপনার সার্ভিস কে বসিয়ে দিলেই খেল খতম।

একটু সোজা করে যদি বলি তাহলে মূলকথা হলো, ক্লাউড সার্ভিস প্রোভাইডাররা অনেক CPU, RAM, Storage ক্যাপাসিটি সম্পন্ন দামি দামি সার্ভার বানায় এবং সেই সার্ভারকে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের কাছে ভাগ ভাগ করে শেয়ার করে। অবশ্যই এই শেয়ার করা মানে হচ্ছে ভাড়া দেয়া এবং সেটা সাধারণত মাসিক অথবা বাৎসরিক হয়ে থাকে। এটাই তাদের মূল ব্যবসা।

এই শেয়ার করার পদ্ধতিটা কয়েক ভাবে হয়ে থাকে। প্রথমত, ১ টা ফিজিক্যাল সার্ভারকে ভার্চুয়ালি ভাগ-ভাগ করে কয়েকটা ভার্চুয়াল সার্ভার বানানো হয় যার ফলে ১ টা সার্ভার ব্যবহার করেই অনেকগুলো সার্ভিসকে হোস্ট করা যায়। এটাকেই বলা হয় Virtualization

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের সময় বৈচিত্র, অর্থাৎ একদেশে যখন দিন, অন্য দেশে তখন রাত। এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে ক্লাউড সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানি গুলো তাদের একই সার্ভারকে ভার্চুয়ালাইজেশনের পাশাপাশি সময় অনুযায়ীও শেয়ার করতে পারছে। এরফলে যেই সার্ভার টা দিনের বেলা বাংলাদেশের কোনো অফিস ব্যবহার করছে সেই একই সার্ভার রাতে যখন বাংলাদেশের অফিস গুলা বন্ধ হয়ে যায় ঠিক তখন আমেরিকার মতো দেশগুলা ব্যবহার করছে যেখানে তখন দিনের শুরু।

এভাবেই মূলত ক্লাউড সার্ভিস কোম্পানিগুলো খুবই দক্ষতার সাথে আমাদেরকে Cloud Computing ব্যবহার করার সুযোগ করে দিচ্ছে এবং দিনে দিনে অধিকতর জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

Cloud Computing Services

cloud computing services

Infrastructure as a Service (IaaS)

Platform as a Service (PaaS)

Software as a Service (SaaS)

Infrastructure as a Service (IaaS) ক্লাউড কম্পিউটিং এর এই লেয়ারে ইনফ্রাস্ট্রাকচারকে সার্ভিস হিসেবে শেয়ার করা হয়। সহজ ভাবে বললে, কম্পিউটার ভাড়া দেয়া হয় যেখানে আপনি আপনার ইচ্ছামতো CPU RAM Storage দিয়ে আপনার সার্ভিসটিকে কাস্টোমাইজ করে নিতে পারেন। এছাড়া আপনি নেটওয়ার্কিং এর জন্যে প্রয়োজনমতো হাই স্পিড সিলেক্ট করে নেয়ার সুযোগ পাবেন। IaaS সার্ভিস লেয়ারে সবার নিচে অবস্থান করে।

Platform as a Service (PaaS) এখানে ডাইরেক্ট প্লাটফর্ম আকারে আপনার কাছে সার্ভিসটিকে ভাড়া দেয়া হয়। সেক্ষেত্রে ইনফ্রাস্ট্রাকচার এর পাশাপাশি আপনি আপনার পছন্দমতো সিস্টেমের OS থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরণের এপ্লিকেশন ডেভেলপ করে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে ইনস্টলেশন, মেইনটেন্যান্স এমনকি ট্রাবলশ্যুটিং এর ঝামেলা আপনার প্রোভাইডার বহন করবে।

Software as a Service (SaaS) ক্লাউড টেকনোলজি এর সবচাইতে আকর্ষণীয় সার্ভিসের নাম SaaS , যেখানে রেডিমেট সফটওয়্যার বা প্রয়োজনীয় যেকোনো এপ্লিকেশন গুলোকে সরাসরি সার্ভিস হিসেবে ভাড়া দেয়া হয়। এখানে কাস্টমারকে তেমন কিছুই করতে হয় না এবং কোনো ধরণের ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি ইউসার হোস্ট করা সার্ভিস ব্যবহার করতে পারে। সার্ভিস লেয়ারে সবার ওপরে SaaS এর অবস্থান।

Types of Cloud Computing

types of cloud computing

কত

1. Public Cloud

2. Community Cloud

3. Private Cloud

4. Hybrid Cloud

পাবলিক ক্লাউড মানে যেখানে সাধারণ পাব্লিকের এক্সেস আছে। বেশিরভাগ কাস্টমার কেন্দ্রিক সার্ভিস গুলোই public cloud এ রাখা হয়। যেমন ধরুন, যেকোনো ওয়েবসাইট যেগুলা আমরা ব্যবহার করে থাকি। Google Facebook YouTube পাবলিক ক্লাউডের অন্যতম উদাহরণ।

কমিউনিটি ক্লাউড সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট ব্যাক্তি-গোষ্ঠীর হয়ে থাকে যেখানে ওই গ্রুপের সবাই এক্সেস করতে পারে কিন্তু সাধারণ পাবলিক কানেক্ট হতে পারে না। যেমন যেকোনো দেশের সেনাবাহিনীর ক্লাউড নেটওয়ার্ক শুধু তাদের টিমের লোকেরাই এক্সেস করতে পারে যেটা অন্যরা পারে না।

Private Cloud বলতে বুঝায় কোনো নির্দিষ্ট ব্যাক্তি অথবা প্রতিষ্ঠানের ক্লাউড যেখানে শুধুমাত্র সেই ব্যাক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের লোকদেরই শুধু মাত্র এক্সেস থাকে। এধরণের ক্লাউড অনেকটাই সিকিউরড এবং রেস্ট্রিক্টেড হয়।

Hybrid Cloud হচ্ছে পাবলিক আর প্রাইভেট ক্লাউডের মিশ্রণ। অর্থাৎ, যেখানে প্রাইভেট এবং পাবলিক দুই ধরণেরই এক্সেস সুবিধা থাকে। যেমন ধরুন, কোনো কোম্পানির ফিনান্সিয়াল ডেটা শুধু মাত্র ওই কোম্পানির নির্দিষ্ট কিছু মানুষই এক্সেস করতে পারে আবার পক্ষান্তরে ওই কোম্পানির ওয়েবসাইট পাব্লিকের জন্যে উন্মুক্ত থাকে।

Benefits of Cloud Computing

১. ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বেনিফিট হচ্ছে খরচ কমিয়ে আনা
২. প্রয়োজন অনুযায়ী রিসোর্স (সিপিইউ, মেমোরি, স্টোরেজ, স্পিড) সিলেক্ট করা
৩. হাই স্পিড ফেসিলিটি
৪. অন-ডিমান্ড অটোমেটিক সফটওয়্যার ইনস্টলেশন
৫. পছন্দ অনুযায়ী Add on সার্ভিস
৬. কোনো রকম বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই হাই-সিকিউরিটি সুবিধা
৭. সর্বোচ্চ গুণগত মান এবং ডেটা লস নিয়ন্ত্রণ
৮. ৯৯.৯৯% সার্ভিস আপটাইম
৯. অটোমেটিক সার্ভিস ব্যাকআপ রাখার সুবিধা
১০. অল্প সময়ের মধ্যেই ডিপ্লয়মেন্ট অথবা সার্ভিস শিফটিং এর সুবিধা

আরো আছে, এত লেখলে আপনি নিজেই বিরক্ত হয়ে যাবেন তাই এখানেই থামছি।

কিন্তু শেষ নাই

Disadvantages of Cloud Computing

১. ইন্টারনেট কানেকশন এর উপর পুরুপুরি ভাবে নির্ভরশীল
২. সার্ভিস এর পূর্ণ-কন্ট্রোল নিজের কাছে না থাকা
৩. নিম্ন-মানের প্রোভাইডার এর ক্ষেত্রে প্রায়ই ডাউনটাইম ফেস করা
৪. শুরুতেই বড়-ধরণের খরচ বহন করা
৫. বড় কিছু সার্ভিস প্রোভাইডার ছাড়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ফীচার লিমিটেশন

এককথায় সার্বিক ভাবে আপনার সার্ভিস এর মান নির্ভর করবে আপনার ক্লাউড প্রোভাইডার এর সার্ভিস কোয়ালিটি এর উপর।

তাহলে কোথায়?

এগুলো ছিল কম-বেশি কমন অসুবিধা। কিন্তু, আমার দৃষ্টিকোণ থেকে মূল চিন্তার ব্যাপারটা অন্য জায়গায়, আর সেটা হচ্ছে security risks of cloud computing.

What are the security risks of cloud computing?

  • আপনার ক্লাউড প্রোভাইডার এর সিকিউরিটি এর উপর আপনার সিকিউরিটি সম্পূর্ণভাবে নির্ভরশীল।
  • ডেটা কনফিডেনটিয়ালিটি বিনষ্ট হওয়া।
  • আপনার ডেটা আপনি ছাড়া অন্যকেউ এক্সেস করলেও আপনি তা জানতে পারবেন না।
  • হ্যাকিং এর শিকার হওয়া।
  • আপনি চাইলেও কোনোভাবে সার্ভিস এর সিকিউরিটি আপগ্রেড অথবা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না।
  • লিগ্যাল ইস্যুস, পাসওয়ার্ড হাইজ্যাকিং, ডেটা চুরি হওয়া ইত্যাদি।

এত

তাহলে এখন উপায়?

কি?

Cloud computing Security Practices

  • আপনার এমপ্লয়ীদের সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কে সচেতন করুন।
  • আপনার ডেটা এনক্রিপ্ট করে ট্রান্সফার করুন।
  • ডেটা এক্সেস এর জন্যে মাল্টিফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সিস্টেম ব্যবহার করুন।
  • প্রতিনিয়ত ব্যবহারের লগ যাচাই বাছাই করুন।
  • স্ট্রং পাসওয়ার্ড, রেগুলার ব্যাকআপ, নিরাপদ এক্সেস পলিসি নিশ্চিত করুন।
  • নির্ভরযোগ্য ইউসার ছাড়া বাকিদের এক্সেস লিমিট করে ফেলুন।

White Hat Hacker ভাড়া করে ইচ্ছাকৃত ভাবে আপনার সার্ভিসের সিকিউরিটি ব্রেক করার চেষ্টা করুন। এক্সপেরিমেন্টের ফলাফল আপনাকে ক্লাউড প্রোভাইডার নির্বাচন করার ব্যাপার এ সাহায্য করবে।

Hot

শেষ হইয়াও হইলো না শেষ।

অনেক হয়েছে, আর কথা বাড়াবো না। দিনশেষে নিজের সিস্টেমে হোস্ট করতে পারলে তার চাইতে বেটার কোনো কিছুই নাই। তবে বর্তমান ডিমান্ডিং সময়ে এসে Cloud Computing এর সত্যিবলতে কোনো বিকল্প আসলে নাই।

সকল কিছু মাথায় রেখে একটা কথাই বলতে চাই, সেটা হলো ক্লাউড প্রোভাইডার অবশ্যই খুব যাচাই বাছাই করে, দেখে শুনে সিলেক্ট করবেন। সামান্য কিছু খরচ কমাতে গিয়ে নিজের সার্ভিসটাকে কম্প্রোমাইজড করবেন না প্লিজ।

সকলের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেটের ব্যবহার নিশ্চিত হোক।

About: Kazi Talim

About: Kazi Talim

একজন আগাগোড়া প্রযুক্তি-প্রেমী। প্রফেশনাল লাইফে একজন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এক্সপার্ট। ভালোবাসি তথ্য-প্রযুক্তি নিয়ে লেখা-লেখি করতে, ভিডিও বানাতে, নতুন কিছু এক্সপেরিমেন্ট করতে।

SHARE ON
Share on facebook
Facebook
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
Share on pinterest
Pinterest
Share on print
Print

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top